
সিলেটের মোগলাবাজার উপজেলার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে তার বড় ভাই (ভাসুর) বিভিন্ন ধরনের হয়রানি ও মানহানির অভিযোগ এনে প্রতিকার চেয়েছেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে উত্থাপিত হলে পরে সালিসের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ-মীমাংসা হয়েছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. শিপু মিয়া ২০১৫ সালে মাহিয়া আক্তার জেসমিনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য জীবনে বিভিন্ন বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। এর ধারাবাহিকতায় মাহিয়া আক্তার জেসমিন তার স্বামী, ভাসুর, ভাসুরের স্ত্রী ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একাধিকবার আদালতে মামলা দায়ের করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরবর্তীতে সেসব বিরোধ স্থানীয় সালিসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়। তবে পরে আবারও নতুন করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন পরিবারের সদস্যরা।এ বিষয়ে গত ১৭ জুলাই দক্ষিণ সুরমা উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী আব্দুল কাদির।অভিযোগে আব্দুল কাদির উল্লেখ করেন, তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী মাহিয়া আক্তার জেসমিন তাকে ভাসুর হিসেবে যথাযথ সম্মান করেন না। তিনি বিভিন্ন সময় তাকে ও তার স্ত্রীকে দোষারোপ করেন, মানহানিকর বক্তব্য দেন এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। এছাড়া দোকান থেকে পুলিশ দিয়ে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার ভয়ভীতি প্রদর্শনেরও অভিযোগ করা হয়েছে।অভিযোগ পাওয়ার পর দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুল হক একাধিকবার উভয় পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি করে আপোষনামার ভিত্তিতে বিষয়টির মীমাংসা করা হয়।তবে এ বিষয়ে মাহিয়া আক্তার জেসমিনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
মন্তব্য করুন